ফেসবুকে লগ আউট করতে ভুলে গেলে কী করবেন?

অন্য কারও মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ বা ডেস্কটপে ফেসবুক ব্যবহারের পর লগ আউট করতে ভুলে গেছেন? চিন্তা নেই, আপনি দূর থেকেই লগ আউট করতে পারেন।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলেন, অন্য কারও যন্ত্রে লগ আউট করতে ভুলে গেলে তা প্রাইভেসি বা ব্যক্তিগত গোপনীয়তার জন্য হুমকি হতে পারে। এ ছাড়া সাইবার ক্যাফের মতো কোনো স্থানে ফেসবুক বা সামাজিক যোগাযোগের সাইট ব্যবহারের পর লগ আউট করতে ভুলে গেলে, তা নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে।

দূর থেকে ফেসবুকে লগ আউট করার সহজ একটি প্রক্রিয়া আছে। কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করে যে যে যন্ত্র থেকে লগ আউট করা হয়নি, তা করা যাবে।
১. ফেসবুক মেনু থেকে সেটিংস অপশনে যান এবং তা নির্বাচন করুন।

২. বাম পাশে সিকিউরিটি বাটন পাবেন, এতে ক্লিক করুন।

৩. একবার সিলেক্ট করার পর ডানদিকে কতগুলো অপশন পাবেন, যার মধ্যে রয়েছে ‘হয়্যার ইউ আর লগড ইন’ অপশন। এই অপশনটির পাশে এডিট বাটন পাবেন।

৪. এডিট বাটনে চাপ দিন।

৫. এবার আপনি বর্তমান ফেসবুক ব্যবহারের সময়, স্থান ও যন্ত্রের ধরন প্রভৃতি লগ পাবেন। প্রতিটি অপশনের পাশে ‘এন্ড অ্যাকটিভিটি’ নামের বাটন পাবেন।

৬. যে যন্ত্র থেকে লগ আউট করতে চান, তা ‘এন্ড অ্যাকটিভিটি’ বাটনটিতে চাপ দিয়ে লগ আউট করতে পারবেন। আগে যতগুলো ডিভাইসে লগ ইন করা ছিল, এখান থেকে তা বন্ধ করে দিতে পারবেন।

Powered by:- Md.Shahin Akter

Advertisements

received_2554545914772041
ছবিঃ- বন্ধুদের সাথে আড্ডা সমুদ্র সৈকতে।

দুই বছরের বেশি সময় ধরে মালয়েশিয়া আছি।সমুদ্র সৈকত দেখতে যাওয়ার স্বপ্ন আমার অনেক দিন থেকে। সময় স্বল্পতার কারণে বা সঙ্গীর অভাবে যাওয়া হয় না।
গত (৪/০২/২০১৯ইং)তারিখে চীনা নতুন বছরের ছুটিতে সবারই ছুটি হলো।আমিও সঙ্গী হিসাবে পেলাম আমার খালাতো ভাই জাকির কে।
তাকে বললাম এবার একটু সমুদ্র সৈকত দেখতে যাবো।তোকে সাথে যেতে হবে।তুই যাবি কিনা?সে আমাকে বললো,আগে আমার এখানে আয় তারপর দেখি।আমি সোজা চলে গেলাম খালাতো ভাই জাকির এর রুমে।সে থাকে বাতু বিল্লাহ ক্লাং এর কাছাকাছি। মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর থেকে ক্লাং যেতে বাস ভাড়া সাড়ে তিন রিংগিত। ক্লাং থেকে দুই রিংগিত দিলে খালাতো ভাই এর বাড়িতে পৌছানো হলো।অনেক বছর পর দেখা হলো খালাতো ভাই জাকির এর সাথে।প্রায় আট-দশ বছর পর সামনাসামনি দেখা।সে আনন্দ আর ভালোবাসা লিখে বলা সম্ভব নয় ।তার পর আমার আরোও এক খালাতো ভাই “জাহাঙ্গীর ভাই” সেও আসলো আমাদের এখানে।দেখা হলো কথা হলো স্মৃতি চারণ হলো।

আমি আগেই জাকির কে বলে রেখেছিলাম যে,আমরা সমুদ্র দেখতে যাবো। তাই যেই কথা সেই কাজ।সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে রওনা দেওয়া হলো।বাতু বিল্লা থেকে ৭১৩নং বাসে করে ক্লাং যাওয়া হলো দুই রিংগিত জনপ্রতি।ক্লাং মাইডিন এর সামনে থেকে বানতিং এর বাসে উঠা হলো সেই কাঙ্ক্ষিত সমুদ্র সৈকত দেখার জন্য জনপ্রতি ভাড়া নিলো সাড়ে তিন রিংগিত,বাস নং ৭৩০। বাস যেহেতু লোকাল, তারপরও সকল বাসে টিকিট ও এসি সিস্টেম আছে; লাইনে দাঁড়িয়ে বাসে উঠতে হবে।যা যাত্রীদের জন্য কষ্টকর হলও শৃঙ্খলা বটে।প্রায় দেড় ঘন্টার পর বানতিং শহরে পৌছানো হলো।এখান থেকে বাসে যেতে হলে দুই ঘন্টা অপেক্ষা করতে হবে লোকাল বাসের জন্য !যা আমাদের পক্ষে সম্ভব না।তাই টেক্সি ভাড়া করা হলো মরিব সাগড় পাড় দেখার জন্য। এখান থেকে জনপ্রতি পাঁচ রিংগিত করে নিলো টেক্সি চালক।তারপর আরো এক ঘন্টা পথে কাটলো সময়।যখন আমরা মরিব সমুদ্রে সৈকতে পৌছালাম তখন সময় বেলা দুপুর ২ঃ০০ টা। আমাদের সফর সঙ্গী সবাই বানতিং শহর থেকে খাবার খেয়ে এসেছে, আমি বাদে।আমার খাবার প্যাকেট করে আনা হলো আমি খেয়ে নিলাম কোন রকম।তারপর কাপড়চোপড় বদলে নেমে পড়লাম সাগরের ঢেউ আর জলের সাথে খেলা করতে।আমরা যখন পৌছালাম তখন জোয়ারের সময়।সাগরের পানি অনেক কম ছিলো।আমরা কয়েকজন পায়ে হেটে জলের কাছাকাছি চলে গেলাম।প্রায় এক কিলো মিটান পথ হবে।তারপর শুরু হলো জলের কলকল শব্দ আর আমাদের দুষ্টুমির জলকেলি খেলা। ছবি তোলা হচ্ছে জলের মধ্যে কখনো দাঁড়িয়ে,বসে,শুয়ে, আবার কখনো গোসলরত অবস্থায় । ওইদিক থেকে পানিও বাড়তে থাকলো সময় যত যাচ্ছে পানি তত উপকূলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ;আমরাও এগিয়ে আসতে শুরু করলাম উপকূলের দিকে।আমাদের পাশে কিছু মালায়ু মেয়েরা গোসল করতে নেমেছিলো তাদের দেখে আমরাও আরো বেশি করে হইহট্টগোল শুরু তরে দিলাম।মজা করলাম তাদের দেখে; মূলতঃ তারা আমাদের দেখে সাহস করে পানিতে নেমেছে ।আমাদের পাশে কিছু মালায়ু ছেলেরা শামুক কুড়াচ্ছে তাদের সাথে আড্ডা দিলাম।এখানকার শামুক বিক্রি হয় কেজি প্রতি পাঁচশ রিংগিত। তাই অনেক মালায়ু এই শামুক সংগ্রহ করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে।সাগরের কাঁকড়াও খুবই সুন্দর দেখতে,ওরা ঝাঁক বেঁধে ঘুরে বেড়ায়। ধরতে গেলে বালুর নিচে লুকিয়ে যায় ।সাগরের পাড় ঘেঁষে কিছু দোকান আর রেস্টুরেন্ট গড়ে উঠেছে অস্থায়ী। অনেক দূর দুরান্ত থেকে মানুষ সাগর দেখতে এসেছে এই ছুটিতে।কেউ নিজস্ব গাড়ি করে,কেউ ভাড়া করে।

যে সমুদ্র টি ভাগ করেছে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া কে তা হলো আন্দামান সাগর এর মালাক্কা প্রণালী দ্বারা।

মালয়েশিয়ার বানতিং বাদেও আছে পেনাং(penang) বন্দর, লংকাউয়ি (Langkawi) বদ্বীপ, পোর্ট ডেকশন(port dickson) মলাক্কা(Malacca), মিউয়ার(muar),বাতু ফাহাত(batu pahat),জহুর বারু(Johor baru)।আর
সমুদ্রের ওপারে অর্থাৎ দক্ষিণে ইন্দোনিশেয়ার Bagansiapiapi ও Rupat Island  দুটি দ্বীপ আছে।

সময় বেড়ে চলেছে বাড়ি ফিরতে হবে তাই ভালো করে সাগরের তীরে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ তাকিয়ে দেখছি সাগরের গভীরতা আর সাগরের ঢেউ তে মুছে যাওয়া বালুতে আঁকাবাকা কাঁকড়ার তৈরি করা রাস্তা।আসলে সাগরের ঢেউ এর কাছ থেকে শিখার আছে।জোয়ারের সময় মুছে দেয় সাগরের তীরের কাঁকড়ার তৈরি কলংক।ভিজিয়ে দিয়ে যায় সাগরের উপকূলে থাকা গাছের গোড়া;তৃষ্ণা মিঠাই বালুচরের বুকে জেগে উঠা শুকনো বালুর ।সাথে সাথে ভিজিয়ে দেয় মানুষের সমস্ত শরীর।

প্রকৃতির সব কিছুই উৎসর্গ করে মানুষের কল্যাণে; মানুষ করে না কেনো???

লেখক
মোঃশাহীন আক্তার।
প্রবাসী,বাংলাদেশি।
মালয়েশিয়া থেকে।

একটু কথা বলতেই হয় ;দুঃখিত আমি!

বদির কার্টুন সাদাৎ এঁকেছেন

একটু কথা বলতেই হয়; দুঃখিত আমি!!!
Md Shahin Akter

পাঠক আপনারা জানেন গত বছর মানে ২০১৮সালের ঘটনা ; মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে গিয়ে র‌্যাবের হাতে নিহত হন একরাম নামের কক্সবাজারের একজন ওয়ার্ড কমিশনার। নিহতের স্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে তাদের রেকর্ড করা কথা যদি আমাদের না শুনাতেন তাহলে আমরা বুঝতেই পারতাম না এটা পূর্বপরিকল্পিত ঘটনা।অথচ সচরাচর বলাই হচ্ছে মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সরকার জিরো টলারেন্স! কি অদ্ভুত!

অথচ যার নামের আগে ও পরে ইয়াবা নামের যে ভয়াবহ মাদকের নাম যুক্ত “ইয়াবা গড ফাদার ” বা “ইয়াবা বদি “তাকে পাঠানো হলো হজ্জে। তারপর তিনি হলেন আলহাজ্ব বদি।আর আমাদের বৌদি হলো এমপি……!!!

অথচ একরাম এর পরিবার হলো এতিম ;তার সন্তানেরা হলো বাবা হারা।তাদের সংসার চালানোর মালিক এখন একমাত্র আল্লাহ। দুই দিন আগে প্রথম আলোতে নিউজ আসলো, ‘একরামের পরিবারকে বেশি কথা না বলতে পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন,তাদের কাছে থাকা গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট যে মোবাইল সেটাও চাওয়া হয়েছে! ”
কি আশ্চর্য বলুন…..!!!???

হ্যাঁ এটাই বাংলাদেশ…..

২০১৯ইং সালে শুরু হলো দুদক অভিযান…..

দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার অভিযান। পাঠক আপনারা জানেন এবং পত্রিকায় এসেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই)এর প্রতিবেদনে বাংলাদেশ এখন এশিয়া মহাদেশের মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে দুর্নীতিতে।
টাকা পয়সা রপ্তানিতেও শীর্ষে আমার এই বাংলাদেশ!!!
কাকে বাদ দিয়ে কাকে ধরবেন?সরষের মধ্যে ভূত থাকলে তাড়াবে কে? বলুন?বলুনতো আপনি?

দুদক চেয়ারম্যান বললেন, ‘এই দুর্নীতির মহাসমুদ্রে কাকে বাদ দিয়ে কাকে ধরবো?’
আসলে তিনিও কনফিউজড…….!

হাসপাতালে ডাক্তার থাকে না; শ্রেণী কক্ষে শিক্ষক থাকে না;ব্যাংকের কোষাগারে অর্থ থাকে না!!!
তাহলে কত শত অভিযান দরকার একবার ভেবে দেখুন এই বাংলাদেশের জন্য ?

আর এই অভিযান দিয়ে কি শিক্ষা দেওয়া যাবে….???
আমি জানি না; তবে চলুক না কিছুদিন। তারপর, রাষ্ট্র মেরামত করতে আসা রাস্তায় নেমে পড়া শিক্ষার্থীরা আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়েছে কারা নিয়ম ভঙ্গ করে!। আর কারা নিয়ম মানতে বাধ্য করে অথবা সৎ ইচ্ছা থাকলে নিয়ম মানাতে বাধ্য করা যায়।
তারপর আবারও যা ইচ্ছে তাই…..

কিন্তু আজও সড়কে মানুষ মরছে…???
কি হলো তাহলে….??
দোষ আমার আপনার সবার….

এই অভিযান কি হবে শেষে…???

মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার মত …???

বিশুদ্ধ অভিযান চালাতে গেলে আগে সরষের মধ্যে থেকে ভূত তাড়াতে হবে ;তারপর শুরু করতে হবে শুদ্ধি অভিযান।

আসলে আমরা সকলেই জানি কি হচ্ছে বা কি হবে বাংলাদেশের? তারপরও কেন জানি সবাই চুপ….????

যখন আমরা বদি সাহেবদের এর কাছ থেকে শুনি ইয়াবা মুক্ত কক্সবাজার চাই;তখন হাস্যকর ছাড়া আমার কাছে আর কিছুই মনে হয় না।

দুর্নীতিবাজদের কাছ থেকে যখন শুনি দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে হবে; তখন হাসি পায়….
বড্ড হাসি পায়….(কারণ দুদিন আগেই একজন দুদকের পরিচালক ঘুষ নেওয়ার জন্য বরখাস্ত হয়েছেন!!!)

লোক দেখানো অভিযান বন্ধ করে; মনকে আগে শুদ্ধ করার অভিযান করুন।তাহলে দেখবেন সব কিছুই যেন শুদ্ধতায় ভরা।

লেখক
প্রবাসী বাংলাদেশি।

#প্রবাস_ডায়েরি।
#অভিযান।
#বাংলাদেশ।
#shahinakter367

ছবিঃ- Sadat-Artist

বুবু তোমাদের লাল সংগ্রামী সালাম।

ছবিঃ- নিজ বাইকে বসে আছে শাহনাজ আক্তার

“বুবু তোমাদের লাল সংগ্রামী সালাম।”

শাহনাজ আমার বুবু’র নাম।আমরা সাত ভাই-বোন।একটি মাত্র বোন।অনেকেই মনে করছেন সাত ভাই চম্পার মত আমাদের পরিবার। আসলে নয়।বোনটা বিয়ে হয়েছে দিন মজুরি করা একটা সহজ সরল সাদামাটা লোকের সাথে। আমার বুবু’র কথা দিয়ে লেখা শুরু করার কারণ হলো; আমি আমার বুবুকে যে সংগ্রাম করে নিজের ঘর সংসার সাজিয়ে রাখতে দেখেছি তা অতুলনীয়। এবং এই বাংলাদেশে, এই শাহনাজদের সংগ্রাম করে জীবন সংসার চালাতে হয়।

তেমনি আরও একজন শাহনাজ কে পাঠক আপনারা ইতিমধ্যে চিনে থাকবেন।তার পুরো নাম শাহনাজ আক্তার। সে একটা বাইক রাইড শেয়ার(পাঠাও;মোবাইল এপপস ভিত্তিক) করে জীবন সংসার চালায়।গত ১৫ই জানুয়ারি, ২০১৯ইং রাজধানীর খামারবাড়ি থেকে তার বাইক এক প্রতারক(জোবাইদুল) মিথ্যা চাকরির আশ্বাস দিয়ে বাইক নিয়ে পালিয়ে যায়।পরে শেরেবাংলা নগর থানায় অভিযোগ করেন শাহনাজ আক্তার। তার অভিযোগ আমলে নিয়ে তেজগাঁও জোনের সহকারী কমিশনার আবু তৈয়ব মোঃ আরিফ হোসেন এর নেতৃত্বে ঘটনার দশ ঘন্টার মধ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলার রঘুনাথপুর থেকে শাহনাজের বাইক টি উদ্ধার করা হয়।পরের দিন অর্থাৎ ১৬/০১/২০১৯ইং তারিখে তেজগাঁও জোনের উপ-কমিশনার বিল্পব সরকার শাহনাজের হাতে বাইকের চাবি ও নগদ দশ হাজার টাকা তুলে দেন।[তথ্য সূত্রঃ- প্রথম আলো; লিংকঃ-https://goo.gl/uGdt9s]
শাহনাজ আক্তার তার বাইক ফিরে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা এবং নিজের সেই সংগ্রামী জীবন আবারও শুরু করলো সেই বাইক হাতে পেয়ে।ইতিমধ্যে শাহনাজ আক্তার সারা বাংলাদেশে এখন পরিচিত মুখ হয়ে গিয়েছে।তাকে অনেকেই চেনে।

আমার বুবু শাহনাজ কে হয় তো কেউ চিনবেন না বা চেনার কোন দরকারও নাই।পাঠক খেয়াল করবেন,আমি আমার বুবুর কথা এই লেখাতে বলছি এই কারণে,আমাদের দেশে এমন শাহনাজ ঘরে ঘরে আছে।তারা জীবন সংগ্রাম করছে নিজের মত করে।কখনো তারা হয় তো পত্রিকায় প্রকাশিত হয় না বা কেউ তাদের চিনে না।তাই তো তাদের নাম জানা হয় না।

বাইক চালক শাহনাজ আক্তার আরও একটি ইন্টারভিউতে বিবিসি বাংলার কাছে তার জীবনের কথা বলেছেন।সেটা বিবিসি বাংলার ফেসবুক পেজের ভিডিওতে আছে ২২/০১/২০১৯ইং তারিখে[ভিডিও লিংকঃ-https://goo.gl/pMUbgd]।সেখানে তার বাইক চালানো আর প্রথম দিকের অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন।তার বাইকে মহিলাদের পাশাপাশি পুরুষ লোকদেরও উঠান।পুরুষ লোক উঠতে চাইতো না মহিলা চালক বলে;তাকে জীবন সংগ্রামে এই সব প্রতিকূলতা পার করতে হয়েছে বা হচ্ছে এখনো।

তার শেষের কিছু উপদেশ আমার খুবই ভালো লাগলো, সে মহিলাদের উদ্দেশ্য কথা গুলো বলেছেন,’চাকরি না পেলে থেমে যাবে না।চাকরি না পেলে একটা কিছু করো,পুরুষের হাসির দিকে(পুরুষদের ঠাট্টা করা) তাকানোর দরকার নাই,তাদের হাসি(ঠাট্টা) সব সময় থাকে।তোমরা লজ্জা না করে কাজটা করো।সব কাজের ক্ষেত্রে নারী পুরুষ একত্রে আছে,তাহলে এটা(বাইক চালানো)কেন হবে না….?’

তার মতো আমারও প্রশ্ন প্রিয় পাঠকদের কাছে,’নারী পুরুষ যখন সমান অধিকার এর কথা বলি তখন কেন তাদের অধিকার ভুলে যায়?অনেকেই হয়তো ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকেই ভাববেন।তা ভাবুন;তবে একটা কথা বলি,যখন শাহনাজ আক্তার বা শাহনাজেরা ঘরের মধ্যে না খেয়ে, অভাবে, অনাটনে মরে তখন আপনারা কই থাকেন?
দৃষ্টি ভঙ্গি পরিবর্তন করুন দেখবেন নারী পুরুষ সমতা আসবে আমার বাংলাদেশে। আর তাদের(নারীদের) কর্ম ক্ষেত্র পর্দাশীলের মধ্যে হোক আর তাদের (নারীদের)প্রতি পুরুষের ভালোবাসা আর সহমর্মিতা বাড়িয়ে দিলে আমি মনে করি সমাজে শাহনাজদের ঘুরে দাঁড়াতে কারও সাহায্য প্রয়োজন পড়বে না।তারা নিজেরাই নিজেদের বোঝা বাইতে পারবে।
আমি আমার পক্ষ থেকে শাহনাজ ( বিশেষ করে আমার বুবু শাহনাজ+বাইক চালক শাহনাজ)দেরকে লাল সংগ্রামী সালাম জানাই।
বেঁচে থাকো সংগ্রাম করে,তোমাদের পাশে আল্লাহ পাক আছে এবং থাকবে।

#প্রবাস_ডায়েরি।
#শাহনাজ
#shahinakter367

লেখক
মোঃশাহীন আক্তার।
প্রবাসী,বাংলাদেশী🇧🇩
মালয়েশিয়া 🇲🇾।

কবিতাঃ- “তোমাকে ভালোবেসে!”

ছবিঃ- ভালোবাসার প্রতীক

কবিতাঃ- “তোমাকে ভালোবেসে!
Md Shahin Akter

তোমাকে ভালোবেসে আমি ভিক্ষারি হবো;
সেটা জেনেও বেসেছি ভালো, কারণ তোমাকে পাবো।
ভালোবাসার পূর্ণাঙ্গ সংজ্ঞা আমার জানা নাই,
কিন্তু তোমাকে পেলে আমার জীবন একটু হলেও পূর্ণাঙ্গ হয়।
তুমি আজ আছো সখি আমার হৃদয়ের মসজিদে ;
কাল কোথায় থাকবে তা প্রমাণ করবে তুমি নিজে।
সুখে-দুখে চলার পথের সাথী ওগো তুমি আমার,
আমার দুখের জীবন সাথী করতে চাই গো আমি তোমার।
হও যদি রাজি আমি ধরতে পারি জগৎ সংসার বাজি;
এমনই একটি মানুষ আমি খুঁজি, সকাল-সন্ধ্যা জ্বালাই মোমবাতি।
তোমাকে ভালোবেসে আমি হবো নিঃশেষ ;
সেটা জেনেও হৃদয়ের কোণে জায়গা দিয়েছি বিশেষ।

সম্রাট শাহজাহান ভালোবেসে মমতাজকে দিয়েছে তাজমহল;
আর আমি না হয় তোমাকে ভালোবেসে হবো পথের পাগল!!!

#প্রবাসডায়েরি।
#shahinakter367
#কবিতা
শাহীনের।

মোঃশাহীন আক্তার।
প্রবাসী,বাংলাদেশি। 🇧🇩
মালয়েশিয়া।🇲🇾
তারিখঃ-১৮-২৩/০১/২০১৯ইং
সময়ঃ- শুরু রাতঃ-১২ঃ৩০pm শেষ রাতঃ- ১১ঃ৪৮pm

ছবিঃ- সংগৃহীত।
ধন্যবাদ সবাইকে।