ফেসবুকে লগ আউট করতে ভুলে গেলে কী করবেন?

অন্য কারও মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ বা ডেস্কটপে ফেসবুক ব্যবহারের পর লগ আউট করতে ভুলে গেছেন? চিন্তা নেই, আপনি দূর থেকেই লগ আউট করতে পারেন।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলেন, অন্য কারও যন্ত্রে লগ আউট করতে ভুলে গেলে তা প্রাইভেসি বা ব্যক্তিগত গোপনীয়তার জন্য হুমকি হতে পারে। এ ছাড়া সাইবার ক্যাফের মতো কোনো স্থানে ফেসবুক বা সামাজিক যোগাযোগের সাইট ব্যবহারের পর লগ আউট করতে ভুলে গেলে, তা নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে।

দূর থেকে ফেসবুকে লগ আউট করার সহজ একটি প্রক্রিয়া আছে। কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করে যে যে যন্ত্র থেকে লগ আউট করা হয়নি, তা করা যাবে।
১. ফেসবুক মেনু থেকে সেটিংস অপশনে যান এবং তা নির্বাচন করুন।

২. বাম পাশে সিকিউরিটি বাটন পাবেন, এতে ক্লিক করুন।

৩. একবার সিলেক্ট করার পর ডানদিকে কতগুলো অপশন পাবেন, যার মধ্যে রয়েছে ‘হয়্যার ইউ আর লগড ইন’ অপশন। এই অপশনটির পাশে এডিট বাটন পাবেন।

৪. এডিট বাটনে চাপ দিন।

৫. এবার আপনি বর্তমান ফেসবুক ব্যবহারের সময়, স্থান ও যন্ত্রের ধরন প্রভৃতি লগ পাবেন। প্রতিটি অপশনের পাশে ‘এন্ড অ্যাকটিভিটি’ নামের বাটন পাবেন।

৬. যে যন্ত্র থেকে লগ আউট করতে চান, তা ‘এন্ড অ্যাকটিভিটি’ বাটনটিতে চাপ দিয়ে লগ আউট করতে পারবেন। আগে যতগুলো ডিভাইসে লগ ইন করা ছিল, এখান থেকে তা বন্ধ করে দিতে পারবেন।

Powered by:- Md.Shahin Akter

Advertisements

স্যার হুমায়ুন আহমেদ (১৯৪৮-২০১২ইং)

হুমায়ুন আহমেদ (১৯৪৮-২০১২ইং)

স্যার হুমায়ূন আহমেদ।
মোঃ শাহীন আক্তার। Md Shahin Akter

হুমায়ূন আহমেদ স্যারের নিয়ে আমি অতি সাধারণ মানুষ কি বা বেশি লিখতে পারি….
তার জন্ম দিনে কিছু না লিখলে যে নয় তাই আমার অতি ক্ষুদ্র একটু প্রচেষ্টা….

তিনি জন্মগ্রহণ করেন ১৩ই নভেম্বর, ১৯৪৮সালে।নেত্রকোনা জেলা তার পিতৃ নিবাস। তিনি গীতিকার, চিত্রনাট্যকার,পরিচালক, শিক্ষক, উপন্যাসিক।অনেক সৃজনশীল কাজ আমাদের মাঝে উপহার দিয়েছেন।

তার কিছু বিখ্যাত উক্তি আছে…
যেমন—

১) “যে জিনিস চোখের সামনে থাকে তাকে আমরা ভুলে যাই

যে ভালবাসা সব সময় আমাদের ঘিরে রাখে

তার কথা আমাদের মনে থাকে না….

মনে থাকে হঠাৎ আসা ভালবাসার কথা।”

—–হুমায়ূন আহমেদ

২)” কল্পনা শক্তি আছে বলেই

সে মিথ্যা বলতে পারে ।

যে মানুষ মিথ্যা বলতে পারে না,

সে সৃষ্টিশীল মানুষ না, রোবট টাইপ মানুষ ।”

—–হুমায়ূন আহমেদ

৩)‘‘পৃথিবীর সব মেয়েদের ভেতর অলৌকিক

একটা ক্ষমতা থাকে।

কোন পুরুষ তার

প্রেমে পড়লে মেয়ে সঙ্গে সঙ্গে তা বুঝতে পারে।

এই ক্ষমতা পুরুষদের নেই। তাদের কানের কাছে মুখ

নিয়ে কোন মেয়ে যদি বলে- ‘শোন আমার প্রচণ্ড কষ্ট

হচ্ছে। আমি মরে যাচ্ছি।’

তারপরেও পুরুষ মানুষ বোঝে না।

সে ভাবে মেয়েটা বোধ হয় এপেন্ডিসাইটিসের

ব্যাথায় মরে যাচ্ছে!’’

—–হুমায়ূন আহমেদ

অনেক মজা করতেন লোকের সাথে।ছেলে মেয়েদের সাথেও করতেন।
তার একটা ঘটনা বলি।তিনি ঈদে সবাইকে সেলামী দিতেন বয়স জেনে।মানে যার যত বয়স হবে তার তত টাকা। মনে করুন আপনার বয়স দুই বছর আপনি পাবেন দুই টাকা,আর একজনের বয়স ২০বছর সে পাবে ২০টাকা।এমনি সব মজার ঘটনা তিনি নিজেই তৈরি করতেন।

তিনি নিজ হাতে অনেক মানুষকে বিখ্যাত বানিয়েছেন,,তেমনি একজন কুদ্দুস বয়াতি,মাহফুজ আহমেদ,ফারুক,ডাঃএজাজ ইত্যাদি।
অনেক মানুষের বিবাহ দিয়েছেন নিজ হাতে তেমনি দুইজন মানুষ হচ্ছে অভিনয় শিল্পী মাহফুজ আহমেদ এবং জাহিদ হাসান।

আর একটি মজার ঘটনা আমি শেয়ার করবো সেটা হচ্ছে ঃ-
একদিন স্যার স্বদলবলে (নাটকের ইউনিট) নিয়ে গেলেন কলকাতায় ঘুরতে।সাথে ছিলেন অভিনয় শিল্পী জাহিদ হাসান। স্যার তখন প্রথম বউ কে তালাক দিয়ে দ্বিতীয় বউ এর সাথে থাকেন। মানে শাওনের সাথে।শাওনকে স্যার #কুসুম বলে ডাকেন।কুসুম নাম হওয়ার পিছনে একটা কারণ আছে।তা হলো..(শ্রাবণ মেঘের দিন)…… নাটকের কুসুম চরিত্রের মধ্যে ঢুকে গিয়ে শাওন নাম থেকে কুসুম নামে তখন স্যারের কাছে পরিচিতি লাভ করে।
সেই থেকে তাকে কুসুম বলে ডাকে।তো একদিন কলকাতায় মার্কেটে যাবে তার আগে জাহিদ হাসান কে ডেকে বললো,”জাহিদ আমি তো একটা শাড়ী কিনবো কুসুমের জন্য! তা এতো লোকের মধ্যে কিভাবে নিবো? আমার তো লজ্জা করছে!
তবে শুনো তুমি আগে তোমার বউ এর জন্য শাড়ী পছন্দ করবে।তারপর কুসুমের জন্য শাড়ী পছন্দ করবে।আমি তোমার পাশে থাকবো।যখন আমার পছন্দ হবে তখন গলা দিয়ে শব্দ করবো(কাশি দিবো)। তুমি বুঝে নিবে ওটা পছন্দ হয়েছে।”

স্যার জীবনের রাসায়নিক ভালো বুঝতেন। তাই তার সাংকেতিক ইশারা দিয়ে কাজ করতেন।

জাহিদ হাসান তার বউ এর জন্য শাড়ী পছন্দ করে ফেলেছে।এবার করবে স্যারের বউ মানে শাওনের জন্য। সে দশ বারোটা শাড়ি একটার পর একটা দেখতেছে এমন সময় স্যার কাশি দিলো।ওমনি দোকানদার কে ওই শাড়ীটা প্যাকেট করে দিতে বললো।সবাই চলে আসলো হোটেল রুমে।স্যারের রুমে জাহিদ হাসান কে ডাকলো।স্যার তখন বিড়ি ধরিয়ে টানছে।জাহিদ হাসান পিছন দিয়ে গিয়ে স্যার কে জিজ্ঞেস করলো,”স্যার আমাকে ডেকেছেন?”
স্যার তখন বলছে,”জাহিদ তুমি এইটা কি করলা?আমি তো সত্যি সত্যি কাশি দিয়ে ফেলেছি। আর তুমি ওই শাড়ীটাই পছন্দ করে ফেললে?”

জাহিদ হাসান তখন অবাক এবং একটা কিংকর্তব্যবিমূঢ়। স্যার তার এই কান্ড দেখে খুব খুশি হতেন। তাই তিনি বিশেষ কিছু মানুষদের সাথে এমন রশিকতা করতেন।
কয়েকদিন পরে জাহিদ হাসান কে ডেকে বললো,”জাহিদ ওটা আমারই পছন্দের শাড়ী, তুমি চিন্তা করো না।আমি তোমার টেনশনে ফেলার জন্য এই কান্ড করেছিলাম। ”

স্যারের একটা বড় মাপের জমি আছে গাজীপুরে যেটা নুহাশপল্লী নামে পরিচিত সবার কাছ।আনুমানিক ৩০০বিঘা জমি হবে।এই জমিতে স্যারের অনেক পছন্দের গাছ আর বাড়ি ঘর,পুকুর তৈরি করা। তার সমাধি করা আছে এই নুহাশ পল্লীতে।

নুহাশ পল্লীতে স্যার অনেক নাটক,সিনেমা তৈরি করেছেন।অনেক অভিনয় শিল্পী,গায়কদের ফোন দিয়ে ঢাকা থেকে ওখানে নিয়ে যেতেন।যাওয়ার মাধ্যম ছিলো মহিষের গাড়ী(গরুর গাড়ি)কারণ হাঁটু সমান কাদা রাস্তায় কেউ ভয়তে যেতো না।কিন্তু শিল্পীরা স্যারের ভয়ে(ভালোবাসা) এই কাদা রাস্তা পাড়ি দিয়ে যেতেন।সেখানে শিল্পীদের নিয়ে অনেক মজা করতেন।কাউকে ভূতের ভয় দেখাতেন,কাউকে বরণ করার জন্য ব্যান্ডপার্টি দিয়ে বাঁশি বাজিয়ে বরণ করতেন।কখনো রাতে পাঁচিল(দেওয়াল) এর চার পাশে ক্যান্ডেল(মোমবাতি) দিয়ে আলোকিত করতেন।যা দেখে ঢাকা থেকে আগত অভিনয় শিল্পীদের মনের সব কষ্ট দূর হয়ে যেত।

স্যার নাটক তৈরি করার শেষে ক্যাম্প ফায়ার করতেন।আর্মিদের মত এই কাজটি করতেন এই কারনে যে,নাটক করতে গিয়ে কারও না কারও সাথে বকাবকি বা শাসন করা হয়ে যেত বেশি।তাই ক্যাম্প ফায়ার করে সবাই মনের দুঃখ ভুলে যেত।রান্না করা হতো মেজবানের মত করে।সময় পেলে নাটকের ইউনিট নিয়ে বিদেশে ঘুরতে যেতেন।

স্যার ভালো বাসতেন…….
একা থাকতে।
লিখতে।
আড্ডা দিতে।
দুষ্টুমি করতে।
ঘুরতে।

আজ স্যার আমাদের মাঝে নাই।কিন্তু তার অসংখ্য লেখা বই আর তার হাতে তৈরি নাটক, ছবি আছে।এর মাধ্যমে স্যার আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন অনেক বছর।

আজ স্যারের জন্মবার্ষিকী। আমার পক্ষ থেকে স্যারের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। স্যার আপনি যেখানে থাকুন ভালো থাকুন।

#প্রবাসডায়েরি।
#হুমায়ন
আহমেদ।
#shahinakter367

ছোটখাটো বিশ্লেষক।

আমি রাজনীতি ভালো একটা বুঝি না…!
তবে দেশকে ভালোবাসতে জানি,দেশের জন্য ভালো কাজ করতে জানি,আর সমালোচনা করতে ভালো বুঝি।

সামনে নির্বাচন…🇧🇩।তাই বিশ্লেষণ করলাম আমার মত করে….

কে জিতবে,কে হারবে এই হিসাব আর নিকাশ চলছে রাজনৈতিক অঙ্গনে….

আমি নিজের চোখে যেটা দেখলাম সেটা বলি মাত্র….

সরকার যা চাই বা করবে…
১)তারেক জিয়া আর খালেদা জিয়ার রাজনীতি শেষ করতে।
২)জামাতের রাজনীতি তো চাইবেই শেষ হোক এবং এটাও শেষ।
৩)বিএনপি ক্ষমতায় আসা তো দূরের কথা যেন বিরোধী দলের আসনও যেন না পাই।
৪)বিনাভোটে জয়লাভ আর সম্ভব না, তাই ডিজিটাল সিস্টেম চালু করা যেমন ইভিএম মেশিন আরো নতুন কিছু….!!
৫)বিরোধী জোটকে ভাঙার চেষ্টা করবে….

ঐক্যফ্রন্ট যা চাই বা করতে পারে….
১)আপোস করতে পারে সরকারের সাথে….
২)নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু হয় তার জোর দাবি জানাতে পারে।
৩)দাবি না মানলে কিছুদিন আন্দোলন চালাতে পারে….
৪)ছোটছোট দলকে তাদের সাথে যুক্ত করার চেষ্টা করবে….

সরকারি দল আর ঐক্যফ্রন্টের বাইরের দল যা করতে পারে…..
১)কেউ সরকারি দলে যোগ দিবে…. যারা ক্ষমতা চাই।
২)কেউ ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিবে…যারা গণতন্ত্র চাই।

এই গুলো বাদেও আরো কিছু হতে পারে বলে আমি মনে করি….

নির্বাচনের আগে কিছু ঘটনা ঘটবে যা দেখে জনগণ ধাঁধার মধ্যে পড়ে যাবে….
জনগণ বলবে কাকে তারা ভোট দিবে…..???

★★আমার এই বিশ্লেষণ গুলোর সূত্র আমি নিচে দিলাম.👇👇👇

পড়ে নিতে পারেন সময় করে….

১)বেগম জিয়ার সাত বছর জেল দুর্নীতির অভিযোগে
Source :-Aljazeera (English paper)
Link:-https://bit.ly/2AypGgz

২)নিম্ম আদালতের রায়কে বাদ দিয়ে বেগম জিয়ার ১০বছর সাজা বাড়ানো হয়েছে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ে।
Source:-NDTV(Prance, English media)
Link :-https://bit.ly/2ESvi9G

৩) জামাত ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করে প্রজ্ঞাপণ জারি ইসির।
Source :-প্রথম-আলো(Bangladeshi Paper)
Link:-https://bit.ly/2ERKV1e

৪)আরপিও সংশোধন করে ইভিএম ব্যবহারের চূড়ান্ত অনুমোদন।
Source :- দৈনিক সংগ্রাম(Bangladeshi paper)
Link:-https://bit.ly/2zg7DtE

৫)গণভবনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে নৈশভোজের দাওয়াত।
Source :-দৈনিক যুগান্তর (Bangladeshi paper)
Link:-https://bit.ly/2ETXZTL

#Crisis_of_Bangladesh
#Election
#Vote
#Bangladesh
#shahinakter367
#সমালোচনা
#crisis

একজন মানবতার “ডাক্তার ভাই” এড্রিক বেকার।

ছবিতে হানিফ সংকেত এবং এড্রিক বেকার ২০১১ইং সাল

ডাঃ এড্রিক বেকার। পুরো নাম ডাঃ এড্রিক সাজিশন বেকার।নিউজিল্যান্ডের অধিবাসী এই পরোপকারী মানুষটি বিগত ৩৫ বছর ধরে দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছিলেন টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর গড়ে। আর এজন্যে তিনি সেখানে চার একর জায়গার উপর গড়ে তোলেন ‘কাইলাকুঁড়ি হেলথ কেয়ার সেন্টার’।গ্রামের স্থানীয় সবার কাছেই ‘ডাক্তার ভাই’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসে ইত্যাদির মাধ্যমে হানিফ সংকেত তুলে ধরেছিলেন মহান এই মানুষটির আত্মকথা। ইত্যাদিতে গ্রামবাসীর দাবীর প্রেক্ষিতে তাঁকে নাগরিকত্ব প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হয়েছিল।গত বছর (০৫ আগষ্ট, ২০১৪ইং) এড্রিক বেকার বাংলাদেশের নাগরিকত্ব লাভ করেন। এই মহান মানুষটি আজ আমাদের মাঝে নেই। গত ০১ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ইং তারিখে দুপুর ২টায় তিনি তার প্রতিষ্ঠিত ‘কাইলাকুঁড়ি হেলথ কেয়ার সেন্টার’ এ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।
পরোপকারী এই মানুষটি কখনো নিজের পরিবার-পরিজনদের কথা ভাবেননি।বিয়েটা পর্যন্ত করেননি! নিজে কঠিন অসুখে ভোগলেও চলে যেতে পারেন নি এই দেশের মাটি ও মানুষের মায়া ছেড়ে । নিউজিল্যান্ড এর অধিবাসী মহৎ হৃদয়ের অধিকারী এই মানুষটি পেশায় একজন ডাক্তার। নিজ দেশে ডাক্তারি পাশ করে বিলাস বহুল জীবনের মায়া ত্যাগ করে জীবনের শেষ ৩১ টি বছর এই দেশের মাটি ও মানুষকে ভালবেসে , এই দেশের মাটি ও মানুষের সেবা করে গত ০১ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ইং সালে চলে গেছেন না ফেরার দেশে।মৃত্যুর পরও তিনি এ দেশের মায়া ত্যাগ করতে পারেন নি। তাই তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তাকে মধুপুরেই সমাহিত করা হয়েছে।
আর্তমানবতার সেবায় যারা জীবনের অর্থ খুঁজে পান এড্রিক বেকার ছিলেন তাদেরই একজন। আমরা তার আত্মার শান্তি কামনা করছি।
ডাঃ বেকার আমাদের দেশের সেসব ডাক্তারদের জন্য উদাহরন সৃষ্টি করে গেছেন যারা এমবিবিএস পাশ করেও গ্রাম থেকে শহরের দিকে চলে যায়।তিনি আমাদের দেশের হাজার হাজার এমবিবিএস পাশ করা ডাক্তারদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়ে গেছেন ইচ্ছা থাকলে কিভাবে মানবসেবা করা যায়।কিভাবে উচ্চ ডিগ্রীধারী হয়েও প্রত্যন্ত গ্রামের গরীব মানুষের সেবা করা যায়।

তিনি এই দেশের হাজার হাজার এমবিবিএস পাশ করা ডাক্তারদের উদ্দেশ্য আক্ষেপ করে কিছু কথা বলেছিলেন আর তা হলো , he said he was waiting for a successor. “Many students get MBBS degrees in the country every year. I’m waiting for one of them to come and take the responsibility to provide treatment to the poor People’s in the area.”

No one has come yet.

এই কথাটির চেয়ে আর দুঃখজনক কথা কি হতে পারে বলুন পাঠক?আমাদের দেশের বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তি অর্থবিত্তের মালিক হয়ে দেশের টাকা বিদেশ পাচার করে বিদেশে ব্যবসা-বাণিজ্য করছে।আমার দেশের অনেক মানবসেবক রাজনীতি ব্যক্তি গত পাঁচ বছরে যা আয় করে তা দিয়ে তার ১৪গোষ্ঠি সারা জীবন বসে বসে খায়।অথচ এমন মহৎ কাজে একটি টাকাও ব্যয় করে না।এমবিবিএস সদ্য পাশ করা ছেলে-মেয়েটি টাকা আয় করার জন্য পাগলা কুকুরের মত হন্য হয়ে যায়।

অথচ একটি ভিন্ন দেশের নাগরিক,ভিন্ন ভাষার মানুষ নিজ দেশের আরাম আর আয়েশ রেখে একটি দারিদ্র দেশের মানুষকে সেবা দিতে চলে এসেছে।আর টাকা লাগলে প্রতি দুই বছর পর পর দেশে গিয়ে বন্ধুবান্ধবদের কাছ থেকে হাত পেতে চেয়ে এনে এই দেশের মানুষের সেবার কাজে ব্যয় করেছে।
এই যুগের মহা মানব তো আমরা তাকেই বলবো।আমারও একান্ত ইচ্ছে করছে আমার বাপ দাদার ভিটে ছেড়ে মরার পরে তার কবরের পাশে শায়িত হওয়ার জন্য।

এই সেপ্টেম্বর মাসের পহেলা তারিখে ২০১৫ইং তারিখে তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন না ফেরার দেশে।আমরা তাকে কখনোই ভুলতে পারি না, আর ভুলতে চাই না এমন মহান একটি ব্যক্তিকে।

শ্রদ্ধা,ভালোবাসা এবং সম্মান তার বিদেহী আত্মার প্রতি।

ভালো থাকবেন স্যার এড্রিক বেকার।আপনার মত মানব সেবক দরকার হাজার হাজার।

তথ্য সূত্র ঃ- ইত্যাদি এবং বিভিন্ন পত্রিকা।

ছবিঃ- অনলাইন থেকে।

লেখকঃ-

মোঃ শাহীন আক্তার।

#ডাঃএড্রিকবেকার।
#মানবসেবক।
#স্মৃতিগত।
#বাংলাদেশ🇧🇩।
#ভালোবাসাঅবিরাম।
#শ্রদ্ধা
সম্মান।

ভালোবাসা রসিকতা নই!

💝💝💝ভালোবাসা রসিকতা নই💝💝💝
👉👉👉Md Shahin Akter👈👈👈
☝👆☝👆☝👆👊👊👆☝👆☝

ভালোবাসা রসিকতা নই!

বর্তমান সময়ে কেউ একজন সিঙ্গেল আছে দেখাতে পারবেন না।কেউ কোন না কোন সম্পর্কে জড়িত।ভার্চুয়াল জগৎ থেকে শুরু করে বাস্তব জীবনেও এর প্রভাব বিস্তারিত এবং বলবৎ।
কেউ কৌতূহল বসত অনেক গুলো সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে,কেউ একটা সম্পর্ক ভাঙ্গতে আর একটা নতুন সম্পর্কে জড়াতে চাই,কেউ নতুন মনের মানুষ খুঁজতে খুঁজতে জীবনের লিস্টে অনেক নাম জড়িয়ে ফেলে।
কখনো কি খেয়াল করে দেখেছে সেই মেয়ে বা ছেলেটি তার অদূর ভবিষ্যতে কতখানি নির্মম হতে পারে?

ভালোবাসা রসিকতা নই,চাইলাম আজ একটি ছেলের সাথে, কাল আর একটি ছেলে বা মেয়ের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে গেলাম।এটা কাম্য নয়।

রসিকতা করে নচিকেতা একটা গান লিখেছিলেন,
“সংকীর্ণ মনের মানুষ যারা, তারাই তো ভালোবাসে একবার।
যার মন বড় যতো দেখে ভালো অবিরত, তারাই তো ভালোবাসে বার বার।”(অন্য প্রেমের গান)

আসলে গানটি দুই দিক দিয়ে ধরলে বলা যায়, যারা ভালোবাসে একবার তারা খুবই সংকীর্ণ মনের মানুষ (narrow mind)।আর যারা বারবার ভালোবাসতেই থাকে তারা বিশাল মনের অধিকারী(biggest mind people)।এটা আমার অভিমত নয়,শিল্পী নচিকেতার।

বর্তমান সময়ে ভালোবাসা পণ্য দ্রব্য হয়ে গেছে।যে যেমন করে পারছে খরিদ করছে আর বিক্রি করছে।ভালোবাসা এখন চরম পর্যায়ে চলে গেছে তা বিভিন্ন স্যোসাল মিডিয়ার মাধ্যমে নিজের দেহের সব অঙ্গ-প্রতঙ্গ দেখানোর স্বভাব হয়ে দাড়িয়েছে ছেলে-মেয়ে উভয়ের ক্ষেত্রে। আর বন জঙ্গলে লুকিয়ে চুটিয়েপ্রেম করার কথা কি আর বলবো!আর বাদ দিলাম সিনেমা হলে ছবি দেখতে যাওয়ার ঘটনাগুলো!

পাঠক একটা অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চাই….

আমার এক বান্ধবী পুষ্প (ছন্ম নাম) প্রেম করে বিয়ে করে ফেলেছে।পরে ছেলেটি মালয়েশিয়া প্রবাসী হয়ে যায়।তাদের মধ্যে কথপোকথন চলে ইমো ভিডিও কলের মধ্যমে। তারা দুইজন দু’জনাকে সেই রকম ভালোবাসে!তাই সেই বিশ্বাসের খাতিরে ছেলেটি মেয়েটির কাছে যা দেখতে চাই ভিডিও কলের মাধ্যমে তা সে দেখায়। ওই দেখানো ভিডিও এবং ছবি সে(ছেলেটি) সংরক্ষণ করে রাখে। যা এখন মেয়েটির বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ এর মাধ্যমে তার ছবি ব্যবহার করে খারাপ ও বাজে পোষ্ট আর বিভিন্ন মানুষের কাছে খারাপ ও সেই ছবি ছড়িয়ে দিচ্ছে।ঘটনা ক্রমে আমার কাছেও ওই ফেক আইডি থেকে একটা রিকোয়েস্ট আসে আমি যাচাই বাঁচাই করে দেখলাম ওটা তার নিজের আইডি না।কিন্তু কিছুদিন পরে ওই আইডি থেকে আমাকে মেসেজ করে আমি সেটা আমলে নেয়নি। পরে একদিন চোখ আটকে গেলো ওই মেসেজে। তার একটি খারাপ ছবি আমাকে দিয়েছে।আমি আমার বান্ধবী পুষ্পকে ফোন করে জানতে চাইলাম। সে বলল, সেটা তার আইডি নয়।তার সাবেক স্বামী এই অকাজ করছে তার ছবি ব্যবহার করে।

আমিও ভেবেছিলাম কেন সে(আমার বান্ধবী পুষ্প) আমাকে এমন খারাপ ছবি দিবে।এটা দেওয়ার কোন প্রশ্নই আসে না। তাই তো আমি তাকে ফোন করে সঠিক তথ্য নিলাম এবং জানলাম আসল চরম একটা সত্য কাহিনী। যা থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত সকলকে।
আমি তাকে পরামর্শ দিলাম আইনের আশ্রয় নিতে।
আর এইভাবে বেড়ে চলেছে আমাদের সমাজে কু কাজ আর অকাজ।

আরো একটি তথ্য আমি দিবো পাঠক আজঃ-

কয়েকদিন আগে প্রথম আলো পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পারলাম,” আমাদের দেশে ঢাকাতে প্রতি ঘন্টায় একটি করে তালাক(বিচ্ছেদ এর জন্য) আবেদন পড়ছে।”

তথ্য সূত্রঃ- [https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1555110/ঢাকায়-ঘণ্টায়-এক-তালাক]

আমার প্রশ্ন হলো এখন এই সব তরুণ আর তরুণীর কাছে,”আপনারা ভালোবাসেন ঘন্টায় ঘন্টায় আর ব্রেক আপ করেন মিনিটে মিনিটে তাহলে বিবাহিত পরবর্তী জীবনে আপনারা কিভাবে সুখী দম্পতী হবেন?”

সেটা কি কখনো ভেবে দেখেছেন?

আপনি আজ পার্কে, সিনেমা বা থিয়েটার হলে ছবি দেখতে গিয়ে বয়ফ্রেন্ড এর সাথে ঘনিষ্ঠ হয়ে ছবি তুলছেন সেটা আগামীকাল আপনার দুর্ভাগ্যের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।তা কি একবার ভেবে দেখেছেন?

আজ আপনার বয়ফ্রেন্ড আপনার সাথে চলছে কাল হয়তো আপনাকে রেখে অন্য কারও সাথে নতুন সম্পর্কে জড়াবে তখন আপনি কি করবেন?

সুতরাং যার যার অবস্থান থেকে সবাই সাবধান থাকুন।

আবেগ কে প্রশ্রয় দিবেন না।আবেগময়ী হলে সর্বনাশ হবে আপনার এবং আপনার ভবিষ্যত সম্পর্কের।

একে অপরের জানা শুনার আগেই আমরা সব কিছু দেওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে পড়ি। এটাই আমার আপনার দুর্বলতার প্রধান কারণ।যা উপরের এক বাস্তব ঘটনা দিয়ে বুঝাতে চেষ্টা করেছি পাঠক।

সবার ভালোবাসা পবিত্র থাকুক।
বেঁচে থাকুক ভালোবাসা হাজার বছর।
সেই কামনা সব সময়।
ভালোবাসা অবিরাম।

লেখকঃ-
মোঃশাহীন আক্তার।🇧🇩
মালয়েশিয়া🇱🇷 প্রবাসী।
#প্রবাসডায়েরি।
#ভালোবাসা
রসিকতা_নই।
#বাস্তবতা।