ফেসবুকে লগ আউট করতে ভুলে গেলে কী করবেন?

অন্য কারও মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ বা ডেস্কটপে ফেসবুক ব্যবহারের পর লগ আউট করতে ভুলে গেছেন? চিন্তা নেই, আপনি দূর থেকেই লগ আউট করতে পারেন।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলেন, অন্য কারও যন্ত্রে লগ আউট করতে ভুলে গেলে তা প্রাইভেসি বা ব্যক্তিগত গোপনীয়তার জন্য হুমকি হতে পারে। এ ছাড়া সাইবার ক্যাফের মতো কোনো স্থানে ফেসবুক বা সামাজিক যোগাযোগের সাইট ব্যবহারের পর লগ আউট করতে ভুলে গেলে, তা নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে।

দূর থেকে ফেসবুকে লগ আউট করার সহজ একটি প্রক্রিয়া আছে। কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করে যে যে যন্ত্র থেকে লগ আউট করা হয়নি, তা করা যাবে।
১. ফেসবুক মেনু থেকে সেটিংস অপশনে যান এবং তা নির্বাচন করুন।

২. বাম পাশে সিকিউরিটি বাটন পাবেন, এতে ক্লিক করুন।

৩. একবার সিলেক্ট করার পর ডানদিকে কতগুলো অপশন পাবেন, যার মধ্যে রয়েছে ‘হয়্যার ইউ আর লগড ইন’ অপশন। এই অপশনটির পাশে এডিট বাটন পাবেন।

৪. এডিট বাটনে চাপ দিন।

৫. এবার আপনি বর্তমান ফেসবুক ব্যবহারের সময়, স্থান ও যন্ত্রের ধরন প্রভৃতি লগ পাবেন। প্রতিটি অপশনের পাশে ‘এন্ড অ্যাকটিভিটি’ নামের বাটন পাবেন।

৬. যে যন্ত্র থেকে লগ আউট করতে চান, তা ‘এন্ড অ্যাকটিভিটি’ বাটনটিতে চাপ দিয়ে লগ আউট করতে পারবেন। আগে যতগুলো ডিভাইসে লগ ইন করা ছিল, এখান থেকে তা বন্ধ করে দিতে পারবেন।

Powered by:- Md.Shahin Akter

Advertisements

একজন মানবতার “ডাক্তার ভাই” এড্রিক বেকার।

ছবিতে হানিফ সংকেত এবং এড্রিক বেকার ২০১১ইং সাল

ডাঃ এড্রিক বেকার। পুরো নাম ডাঃ এড্রিক সাজিশন বেকার।নিউজিল্যান্ডের অধিবাসী এই পরোপকারী মানুষটি বিগত ৩৫ বছর ধরে দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছিলেন টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর গড়ে। আর এজন্যে তিনি সেখানে চার একর জায়গার উপর গড়ে তোলেন ‘কাইলাকুঁড়ি হেলথ কেয়ার সেন্টার’।গ্রামের স্থানীয় সবার কাছেই ‘ডাক্তার ভাই’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসে ইত্যাদির মাধ্যমে হানিফ সংকেত তুলে ধরেছিলেন মহান এই মানুষটির আত্মকথা। ইত্যাদিতে গ্রামবাসীর দাবীর প্রেক্ষিতে তাঁকে নাগরিকত্ব প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হয়েছিল।গত বছর (০৫ আগষ্ট, ২০১৪ইং) এড্রিক বেকার বাংলাদেশের নাগরিকত্ব লাভ করেন। এই মহান মানুষটি আজ আমাদের মাঝে নেই। গত ০১ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ইং তারিখে দুপুর ২টায় তিনি তার প্রতিষ্ঠিত ‘কাইলাকুঁড়ি হেলথ কেয়ার সেন্টার’ এ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।
পরোপকারী এই মানুষটি কখনো নিজের পরিবার-পরিজনদের কথা ভাবেননি।বিয়েটা পর্যন্ত করেননি! নিজে কঠিন অসুখে ভোগলেও চলে যেতে পারেন নি এই দেশের মাটি ও মানুষের মায়া ছেড়ে । নিউজিল্যান্ড এর অধিবাসী মহৎ হৃদয়ের অধিকারী এই মানুষটি পেশায় একজন ডাক্তার। নিজ দেশে ডাক্তারি পাশ করে বিলাস বহুল জীবনের মায়া ত্যাগ করে জীবনের শেষ ৩১ টি বছর এই দেশের মাটি ও মানুষকে ভালবেসে , এই দেশের মাটি ও মানুষের সেবা করে গত ০১ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ইং সালে চলে গেছেন না ফেরার দেশে।মৃত্যুর পরও তিনি এ দেশের মায়া ত্যাগ করতে পারেন নি। তাই তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তাকে মধুপুরেই সমাহিত করা হয়েছে।
আর্তমানবতার সেবায় যারা জীবনের অর্থ খুঁজে পান এড্রিক বেকার ছিলেন তাদেরই একজন। আমরা তার আত্মার শান্তি কামনা করছি।
ডাঃ বেকার আমাদের দেশের সেসব ডাক্তারদের জন্য উদাহরন সৃষ্টি করে গেছেন যারা এমবিবিএস পাশ করেও গ্রাম থেকে শহরের দিকে চলে যায়।তিনি আমাদের দেশের হাজার হাজার এমবিবিএস পাশ করা ডাক্তারদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়ে গেছেন ইচ্ছা থাকলে কিভাবে মানবসেবা করা যায়।কিভাবে উচ্চ ডিগ্রীধারী হয়েও প্রত্যন্ত গ্রামের গরীব মানুষের সেবা করা যায়।

তিনি এই দেশের হাজার হাজার এমবিবিএস পাশ করা ডাক্তারদের উদ্দেশ্য আক্ষেপ করে কিছু কথা বলেছিলেন আর তা হলো , he said he was waiting for a successor. “Many students get MBBS degrees in the country every year. I’m waiting for one of them to come and take the responsibility to provide treatment to the poor People’s in the area.”

No one has come yet.

এই কথাটির চেয়ে আর দুঃখজনক কথা কি হতে পারে বলুন পাঠক?আমাদের দেশের বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তি অর্থবিত্তের মালিক হয়ে দেশের টাকা বিদেশ পাচার করে বিদেশে ব্যবসা-বাণিজ্য করছে।আমার দেশের অনেক মানবসেবক রাজনীতি ব্যক্তি গত পাঁচ বছরে যা আয় করে তা দিয়ে তার ১৪গোষ্ঠি সারা জীবন বসে বসে খায়।অথচ এমন মহৎ কাজে একটি টাকাও ব্যয় করে না।এমবিবিএস সদ্য পাশ করা ছেলে-মেয়েটি টাকা আয় করার জন্য পাগলা কুকুরের মত হন্য হয়ে যায়।

অথচ একটি ভিন্ন দেশের নাগরিক,ভিন্ন ভাষার মানুষ নিজ দেশের আরাম আর আয়েশ রেখে একটি দারিদ্র দেশের মানুষকে সেবা দিতে চলে এসেছে।আর টাকা লাগলে প্রতি দুই বছর পর পর দেশে গিয়ে বন্ধুবান্ধবদের কাছ থেকে হাত পেতে চেয়ে এনে এই দেশের মানুষের সেবার কাজে ব্যয় করেছে।
এই যুগের মহা মানব তো আমরা তাকেই বলবো।আমারও একান্ত ইচ্ছে করছে আমার বাপ দাদার ভিটে ছেড়ে মরার পরে তার কবরের পাশে শায়িত হওয়ার জন্য।

এই সেপ্টেম্বর মাসের পহেলা তারিখে ২০১৫ইং তারিখে তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন না ফেরার দেশে।আমরা তাকে কখনোই ভুলতে পারি না, আর ভুলতে চাই না এমন মহান একটি ব্যক্তিকে।

শ্রদ্ধা,ভালোবাসা এবং সম্মান তার বিদেহী আত্মার প্রতি।

ভালো থাকবেন স্যার এড্রিক বেকার।আপনার মত মানব সেবক দরকার হাজার হাজার।

তথ্য সূত্র ঃ- ইত্যাদি এবং বিভিন্ন পত্রিকা।

ছবিঃ- অনলাইন থেকে।

লেখকঃ-

মোঃ শাহীন আক্তার।

#ডাঃএড্রিকবেকার।
#মানবসেবক।
#স্মৃতিগত।
#বাংলাদেশ🇧🇩।
#ভালোবাসাঅবিরাম।
#শ্রদ্ধা
সম্মান।

ভালোবাসা রসিকতা নই!

💝💝💝ভালোবাসা রসিকতা নই💝💝💝
👉👉👉Md Shahin Akter👈👈👈
☝👆☝👆☝👆👊👊👆☝👆☝

ভালোবাসা রসিকতা নই!

বর্তমান সময়ে কেউ একজন সিঙ্গেল আছে দেখাতে পারবেন না।কেউ কোন না কোন সম্পর্কে জড়িত।ভার্চুয়াল জগৎ থেকে শুরু করে বাস্তব জীবনেও এর প্রভাব বিস্তারিত এবং বলবৎ।
কেউ কৌতূহল বসত অনেক গুলো সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে,কেউ একটা সম্পর্ক ভাঙ্গতে আর একটা নতুন সম্পর্কে জড়াতে চাই,কেউ নতুন মনের মানুষ খুঁজতে খুঁজতে জীবনের লিস্টে অনেক নাম জড়িয়ে ফেলে।
কখনো কি খেয়াল করে দেখেছে সেই মেয়ে বা ছেলেটি তার অদূর ভবিষ্যতে কতখানি নির্মম হতে পারে?

ভালোবাসা রসিকতা নই,চাইলাম আজ একটি ছেলের সাথে, কাল আর একটি ছেলে বা মেয়ের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে গেলাম।এটা কাম্য নয়।

রসিকতা করে নচিকেতা একটা গান লিখেছিলেন,
“সংকীর্ণ মনের মানুষ যারা, তারাই তো ভালোবাসে একবার।
যার মন বড় যতো দেখে ভালো অবিরত, তারাই তো ভালোবাসে বার বার।”(অন্য প্রেমের গান)

আসলে গানটি দুই দিক দিয়ে ধরলে বলা যায়, যারা ভালোবাসে একবার তারা খুবই সংকীর্ণ মনের মানুষ (narrow mind)।আর যারা বারবার ভালোবাসতেই থাকে তারা বিশাল মনের অধিকারী(biggest mind people)।এটা আমার অভিমত নয়,শিল্পী নচিকেতার।

বর্তমান সময়ে ভালোবাসা পণ্য দ্রব্য হয়ে গেছে।যে যেমন করে পারছে খরিদ করছে আর বিক্রি করছে।ভালোবাসা এখন চরম পর্যায়ে চলে গেছে তা বিভিন্ন স্যোসাল মিডিয়ার মাধ্যমে নিজের দেহের সব অঙ্গ-প্রতঙ্গ দেখানোর স্বভাব হয়ে দাড়িয়েছে ছেলে-মেয়ে উভয়ের ক্ষেত্রে। আর বন জঙ্গলে লুকিয়ে চুটিয়েপ্রেম করার কথা কি আর বলবো!আর বাদ দিলাম সিনেমা হলে ছবি দেখতে যাওয়ার ঘটনাগুলো!

পাঠক একটা অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চাই….

আমার এক বান্ধবী পুষ্প (ছন্ম নাম) প্রেম করে বিয়ে করে ফেলেছে।পরে ছেলেটি মালয়েশিয়া প্রবাসী হয়ে যায়।তাদের মধ্যে কথপোকথন চলে ইমো ভিডিও কলের মধ্যমে। তারা দুইজন দু’জনাকে সেই রকম ভালোবাসে!তাই সেই বিশ্বাসের খাতিরে ছেলেটি মেয়েটির কাছে যা দেখতে চাই ভিডিও কলের মাধ্যমে তা সে দেখায়। ওই দেখানো ভিডিও এবং ছবি সে(ছেলেটি) সংরক্ষণ করে রাখে। যা এখন মেয়েটির বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ এর মাধ্যমে তার ছবি ব্যবহার করে খারাপ ও বাজে পোষ্ট আর বিভিন্ন মানুষের কাছে খারাপ ও সেই ছবি ছড়িয়ে দিচ্ছে।ঘটনা ক্রমে আমার কাছেও ওই ফেক আইডি থেকে একটা রিকোয়েস্ট আসে আমি যাচাই বাঁচাই করে দেখলাম ওটা তার নিজের আইডি না।কিন্তু কিছুদিন পরে ওই আইডি থেকে আমাকে মেসেজ করে আমি সেটা আমলে নেয়নি। পরে একদিন চোখ আটকে গেলো ওই মেসেজে। তার একটি খারাপ ছবি আমাকে দিয়েছে।আমি আমার বান্ধবী পুষ্পকে ফোন করে জানতে চাইলাম। সে বলল, সেটা তার আইডি নয়।তার সাবেক স্বামী এই অকাজ করছে তার ছবি ব্যবহার করে।

আমিও ভেবেছিলাম কেন সে(আমার বান্ধবী পুষ্প) আমাকে এমন খারাপ ছবি দিবে।এটা দেওয়ার কোন প্রশ্নই আসে না। তাই তো আমি তাকে ফোন করে সঠিক তথ্য নিলাম এবং জানলাম আসল চরম একটা সত্য কাহিনী। যা থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত সকলকে।
আমি তাকে পরামর্শ দিলাম আইনের আশ্রয় নিতে।
আর এইভাবে বেড়ে চলেছে আমাদের সমাজে কু কাজ আর অকাজ।

আরো একটি তথ্য আমি দিবো পাঠক আজঃ-

কয়েকদিন আগে প্রথম আলো পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পারলাম,” আমাদের দেশে ঢাকাতে প্রতি ঘন্টায় একটি করে তালাক(বিচ্ছেদ এর জন্য) আবেদন পড়ছে।”

তথ্য সূত্রঃ- [https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1555110/ঢাকায়-ঘণ্টায়-এক-তালাক]

আমার প্রশ্ন হলো এখন এই সব তরুণ আর তরুণীর কাছে,”আপনারা ভালোবাসেন ঘন্টায় ঘন্টায় আর ব্রেক আপ করেন মিনিটে মিনিটে তাহলে বিবাহিত পরবর্তী জীবনে আপনারা কিভাবে সুখী দম্পতী হবেন?”

সেটা কি কখনো ভেবে দেখেছেন?

আপনি আজ পার্কে, সিনেমা বা থিয়েটার হলে ছবি দেখতে গিয়ে বয়ফ্রেন্ড এর সাথে ঘনিষ্ঠ হয়ে ছবি তুলছেন সেটা আগামীকাল আপনার দুর্ভাগ্যের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।তা কি একবার ভেবে দেখেছেন?

আজ আপনার বয়ফ্রেন্ড আপনার সাথে চলছে কাল হয়তো আপনাকে রেখে অন্য কারও সাথে নতুন সম্পর্কে জড়াবে তখন আপনি কি করবেন?

সুতরাং যার যার অবস্থান থেকে সবাই সাবধান থাকুন।

আবেগ কে প্রশ্রয় দিবেন না।আবেগময়ী হলে সর্বনাশ হবে আপনার এবং আপনার ভবিষ্যত সম্পর্কের।

একে অপরের জানা শুনার আগেই আমরা সব কিছু দেওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে পড়ি। এটাই আমার আপনার দুর্বলতার প্রধান কারণ।যা উপরের এক বাস্তব ঘটনা দিয়ে বুঝাতে চেষ্টা করেছি পাঠক।

সবার ভালোবাসা পবিত্র থাকুক।
বেঁচে থাকুক ভালোবাসা হাজার বছর।
সেই কামনা সব সময়।
ভালোবাসা অবিরাম।

লেখকঃ-
মোঃশাহীন আক্তার।🇧🇩
মালয়েশিয়া🇱🇷 প্রবাসী।
#প্রবাসডায়েরি।
#ভালোবাসা
রসিকতা_নই।
#বাস্তবতা।

পাবনায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সরকারি কর্মচারীর মৃত্যু।

ছবিঃ- নিহত মোঃ আবু তালেব হাজারী

পাবনা সংবাদদাতা, পাবনা ৫ সেপ্টেম্বরঃ জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সস্ত্রাসীদের অস্ত্রঘাতে ও পিটুনিতে রাজশাহী পোস্টাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের উচ্চমান সহকারী মোঃ আবু তালেব হাজারী অবশেষে মারা গেলেন। বুধবার শহরের চকছাতিয়ানি গোরস্তানে তার দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। তিনি রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকাল ১০ঃ০০ ঘটিকায় মারা যান। জানা গেছে, সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের নওয়া গ্রামের বাড়িতে মোঃ আবু তালেব হাজারী ঈদ-উল-আযাহার ছুটিতে আসেন। গত শুক্রবার জুমার নামাজের পর জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিবেশি আব্দুল করিম হাজারীর নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র – সন্ত্রাসী তার বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় সস্ত্রাসীরা সরকারী কর্মচারী মোঃ আবু তালেব হাজারীকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করে।পরে তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে পাবনা সদর হসপিটালে আনা হয়।তার অবস্থার অবনতি দেখে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে স্থানান্তর করা হয়।রাজশাহী মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

মজার স্মৃতি স্মরণে।

মজার স্মৃতি স্মরণে।

Md Shahin Akter

জাকারিয়া আর আমি ২০১৫ সাল রমনার বটমূলে।

অনেক দিন পর কথা হচ্ছিল জাকারিয়ার সাথে….
কথার এক পর্যায়ে পুরাতন একটা কথা মনে পড়লো দু’জনের…..

আমরা তখন যশোর পলিটেকনিকে নতুন ভর্তি হয়েছি মাত্র।হোস্টেলেও নতুন বটে।পরিবেশ আর নতুন মানুষের সাথে মানিয়ে চলা আমার মত গ্রাম থেকে উঠে আসা সাধারণ পরিবারের সন্তানকে অনেক বিড়ম্বনায় পড়তে হয়।তেমনি অনেক বিড়ম্বনায় পড়েছি,কেটে উঠেছি আবারও সমস্যায় পড়েছি তার থেকে মুক্তিও পেয়েছি।
আমার জীবনের প্রথম রুমমেট জাকারিয়া, শান্ত ও আওরঙ্গজেব। তারা আমার থেকে অনেক গুণ ভাল এবং সেই রকম এক এক জন।তাদের পথ চলছে এখনো,হয় তো আমি নাই, আবারও হয় তো কোনদিন হঠাৎ করে বাসস্ট্যান্ডে অথবা কোন শহরের চায়ের দোকানে দেখা হয়ে যাবে।নতুবা প্রযুক্তির দুনিয়ায় ফেসবুকে খুঁজে বের করে আড্ডা জমাতে হবে।কিন্তু ইচ্ছা থাকা শর্তেও বাস্তবতার সাথে পেরে উঠা মুশকিল।
আমি একজন মানুষ।ভুল ত্রুটি থাকবে স্বাভাবিক। এবং ভুলও করব বারবার এটাও স্বাভাবিক। কিন্তু ভুল সংশোধন করতে হবে চলার পথে এটাও তেমনি স্বাভাবিক। তা নাহলে মানুষের সাথে বসবাস করা সম্ভব না।

আমি সেই দিনের একটা মজার ঘটনা বলবো আজ।
প্রতি সপ্তাহে বন্ধ পড়লে হোস্টেল থেকে সোজা সাইকেল চালিয়ে বাড়ির পথে রওনা দিতাম।পরের দিন সকালে কখনো আসতাম অথবা শুক্রবারের রাতেও কোনদিন আসতাম।আমাদের মিল(খাবার) বন্ধ করতে হলে কার্ড জমা দিতে হয় ম্যানেজারের কাছে। কোনদিন বন্ধ করে চলে যেতাম আবার কোনদিন বন্ধ না করেই চলে যেতাম।আমার কার্ডের মিল(খাবার) খেত আমার রুমমেট জাকারিয়া, কখনো শান্তকে বলে গেলে শান্ত খেত আবার কখনো নাও খেত।

কিন্তু এই মজার ব্যাপার না শেয়ার করলে নয়।কোন একদিন আমার আসতে একটু রাত হয়েছে শুক্রবারের রাতে।এসে দেখি টেবিলে কার্ড নাই।তখন মেজাজ টা খারাপ।খোঁজ নিয়ে জানলাম জাকারিয়া খেয়েছে মিলটা(খাবার)। তখন তার উপর রাগ, “কেন খেলি,আমি আসবো তুই জানতিস না?” বিভিন্ন কথা বলাতে সেও রাগ করে আমাকে বললো,”কাকা তোর মিলের দাম আমি দিয়ে দিবানে কত টাকা হয় জানাস আমাকে আমি দিয়ে দিবো যা। ”

মাস শেষে সে নিজেই হিসাব করে দেখলো মিল রেট ১৭.৫০পয়সা করে।তখন সে আমাকে হিসাব করে টাকা দিলো।আমি নিয়ে নিলাম।
নেওয়ার কারণটা আজ বলতেই হচ্ছে আমাকে।কারণটা হলো এই কথাটি পুরো হোস্টেল হয়ে যাবে এবং কেউ কারও কার্ড বিনা অনুমতিতে যাতে না খায়।খেলে এমন জরিমানা।

তাই সেদিন বুঝে নিলেও আজ সেটা স্মৃতি এবং খুবই মজার ব্যাপার।
আজকে জাকারিয়া হিসাব করে টাকা ফেরৎ চাইছিলো আড্ডার এক ফাঁকে , আমি তাকে বলেছি দিয়ে দিবো যেদিন দেশে আসবো।হিসাব করে রাখিস।হিসাব করে দেখি আজ সেই দিন গুলো অনেক বছরে পরিণত হয়েছে।
৮টি বছরে পার করে ফেলেছি দেখতে দেখতে…..

এমনি করে বদলিয়ে যাবে গল্প,স্থান,কাল,পাত্র….
শুধু থাকবো না আমরা…..!!

মিস ইউ তোদের ভালো থাকিস তোরা।
প্রবাস থেকে আমি তোদের স্মরণ করছি মনে মনে।

#প্রবাসডায়েরি।
#স্মৃতিগত।
#যশোর
পলিটেকনিকহোস্টেল।
#মজার
ঘটনা।