আব্বু তোমাকে ভালোবাসি ৩৬৫দিন-“বাবা দিবসের বাণী”

আব্বু তুমি আমার আদর্শ ও অনুপ্রেরণার উৎস।
বিশ্ব বাবা দিবসে বিশেষ করে কিছু বলার নেই আমার।সকলের পিতা-মাতা সকলের কাছে শ্রেষ্ঠ। আমারও তাই।
আমার পিতাকে খুব কাছ থেকে দেখেছি,তার মধ্যে লুকিয়ে থাকা প্রতিভা আছে।তাকে সকাল সকাল একান্নবতী পরিবারের হাল ধরতে হয়েছে।সংসার চালাতে হয়েছে খুব ছোট বেলা থেকে,আজও তার বিশ্রাম নেওয়ার সময় করে দিতে পারি নি আমরা।অবিরত কখনো তিনি আমাদের পিতা আবার কখনো সমাজের দশ জনের একজন হিসাবে কাজ করেছে।সততা আর সৎ থাকার কারনে অনেক কিছু হারাতে হয়েছে,এমনকি……..!
(অনেকেই জানে বলার নিষ্প্রয়োজন।)
দাদার সংসার দেখতে গিয়ে বেশি দূর পড়া-লেখা করতে পারিনি।হয়তো তার বন্ধু সমতূল্য লোকেরা আজ চাকুরী থেকে অবসর ভাতা নিয়ে খুব অনন্দ দিন পার করছে।তাকে আজও সব সন্তানকে নিয়ে ভাবতে হয়।আল্লাহ সবার সব দেয় না।
আমাকে সাইকেলে করে হাট-বাজার, ঘাট,কলেজ,ইস্কুল সব তিনিই প্রথম চিনিয়ে দিলেন।আজও অনেক কাজে আমাকে পরামর্শ দেয়।তার পরামর্শ অন্যের কাছে কেমন জানি না।কিছু মূল্যবান বাণী আমার কাছে ভালো লাগে।
সব মানুষের শুধু ভালো দিক থাকে না!
খারাপ দিকও থাকে।
তা না হয় বাবা দিবসে বাদ দিয়ে দিলাম খারাপ দিক গুলো।
ভালো থেকো আব্বু।
আমার পিতাসহ সবার পিতার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রহিল।
পিতামাতা কারও চিরকাল বেঁচে থাকে না।
যাদের বেঁচে নাই তাদের জন্য দোয়া রহিল মহান আল্লাহর কাছে।
যাদের পিতা-মাতা বেঁচে আছে আশা করি হাজার কষ্টের মাঝেও তাদের দেখবেন।
শুভরাত্রী।
১৯/০৬/২০১৬ইং(যদিও ঘন্টা খানিক আগে পোস্টটা করলাম,পিতা দিবসের আগে,কারণ সেহরি খেতে হবে!)

নারায়ণগঞ্জ থেকে লেখা

Advertisements